বরিশাল নিউজ।। বুধবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা নিয়ে সন্দেহের কারণে গৌরনদী উপজেলার বাঙ্গিলা হামিউস সুন্নাহ্‌ কওমী মাদরাসার সাতজন শিক্ষক ও ২৫০ জন ছাত্রসহ ২৪৫টি পরিবার ৩০ রোজা রেখেছেন। এরফলে ওইসব পরিবারের প্রায় ১২শ’ সদস্য বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ঈদ উৎসব পালন করেছেন।
বাঙ্গিলা হামিউস সুন্নাহ্‌ কওমী মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আব্দুল কাদের বলেন, হাদিসে বর্ণিত আছে চাঁদ দেখে রোজা রাখা ও চাঁদ দেখে ঈদ করতে হবে। কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটির প্রথম ঘোষণা কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সঠিক ছিল। পরবর্তীতে রাত ১১টায় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সঠিক হয়নি। শরীয়ত মোতাবেক চাঁদ দেখতে হবে। স্বাক্ষীও থাকতে হবে। স্বচক্ষে কেউ চাঁদ দেখেছে বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তাই কোরআন ও সুন্নাহায় বিশ্বাস করে মাদরাসার সাতজন শিক্ষক ও ২৫০জন ছাত্রসহ বাঙ্গিলা গ্রামের পাশ্ববর্তী ধুরিয়াইল, ধানডোবা, নন্দনপট্টি, চাঁদশী, বড়কসবা, চেংগুটিয়াসহ ২০টি গ্রামের কোরআন ও সুন্নাহ্‌ বিশ্বাসী ২৪৫টি পরিবারের প্রায় ১২শ’ মানুষ বুধবার ভোররাতে সাহরী খেয়ে রোজা রেখেছেন। ৩০টি রোজা পূর্ণ করে বৃহস্পতিবার তারা ঈদ উৎসব পালন করেছেন। আব্দুল কাদের আরও বলেন, মাদরাসার ২৫ জন ছাত্র পুরো রমজান মাসজুড়ে ২৫টি জামে মসজিদে ইমামতি করেছেন। তারা ওইসব মসজিদে বুধবার ঈদের নামাজ না পরিয়ে বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ পরিয়েছেন।
উল্লেখ্য্য কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটির দ্বিতীয় ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ রোজা শেষে বুধবার ঈদ পালন করা হয়।
বরিশাল নিউজ/এমএম হাসান