বরিশাল নৌ বন্দরে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভীড়-বরিশাল নিউজ

বরিশাল নিউজ।। বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলে আসা স্বজনদের সাথে ঈদ-উল ফিতরের আনন্দ উপভোগ শেষে এবার শুরু হয়েছে ফেরার পালা। কর্ম এবং পেটের তাগিদে ঈদের চতুর্থ দিন (শনিবার) লঞ্চ ও বাসযোগে বরিশাল ছাড়ছেন হাজার হাজার মানুষ। যদিও ঝক্কিঝামেলা এড়াতে তাদের ফেরার যুদ্ধ শুরু হয় ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ৭ জুন থেকেই। তবে শনিবার নদী বন্দর ও বাস টার্মিনালে পূর্বের দিনের তুলনায় যাত্রীদের ভীড় ছিলো বেশি।

লঞ্চ মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদ-উল ফিতরে স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে বরিশালে আসেন ১২ লক্ষাধিক মানুষ। এবার তারা ফিরতে শুরু করেছেন। তবে এবার ছুটি একটু বেশি হওয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন ভীড় বাড়েনি।

বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঈদের তৃতীয় দিনের চেয়ে শনিবার একটু ভীড় বেশি ছিলো। তবে তা তুলনামুলক বেশী নয়। কর্মে ফেরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌ-বন্দরে নৌ পুলিশের পাশাপাশি মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পাশাপাশি যাত্রীদের সহযোগিতা ও বন্দরের শৃঙ্খলা রক্ষায় ক্যাডেট ও স্কাউট সদস্যরা কাজ করছে।

বরিশাল নৌ বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ঈদের পরেরদিন থেকেই কর্মে ফেরা মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয়দিন অর্থাৎ ৬ ও ৭ জুন বরিশাল থেকে ছয়টি করে লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। তবে ওই দুইদিন যাত্রীদের তেমন কোন চাপ ছিলোনা। তিনি আরও বলেন, শনিবার নদী বন্দরে যাত্রীদের চাপ আগের দিনের থেকে অনেক বেশি। সে অনুযায়ী নদী বন্দরের জেটিতে ১৩টি বেসরকারী লঞ্চ বার্দিং করা রয়েছে। এরমধ্যে ১০টি লঞ্চে যাত্রী তোলা হচ্ছে। ওই ১০টি লঞ্চ বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে যাত্রীদের চাপ বেশি হলে বাকি তিনটি লঞ্চও যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।
এছাড়াও দিবা সার্ভিসের দুটি নৌ-যান যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ঈদ উপলক্ষে নৌ-বন্দরে বিআইডব্লিউটিএ ১৪দিনব্যাপী সেবাপক্ষ্য পালন করছে। যার কারনে বন্দরে যাত্রীদের কোন ভোগান্তি নেই। তবে ভোগান্তি একটাই, তা হলো পল্টুন সংকট। পল্টুনের অভাবে একটি লঞ্চের পেছনে আরেকটি লঞ্চ বার্দিং করতে হচ্ছে। যাত্রীরাও এক লঞ্চ থেকে ঝুঁকি নিয়ে অপর লঞ্চে উঠছে।
বরিশাল নিউজ/শামীম