বরিশাল নিউজ।। কলাপাড়ার রামনাবাদ চ্যানেলের একেবারে কাছে ব্যবসা করেন আনিসুর রহমান খান। তিনি সকাল সাতটায় বরিশাল নিউজকে বলেন,”রাতে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে,এটা ভালো লক্ষণ। এছাড়া বাতাস বইছে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে,এটাও ভালো লক্ষণ। আর বিকালে যদি বুলবুল আঘাত হাতে তখন থাকবে ভাটা- সেটাও ভালো লক্ষণ”।
সাগর পাড়ের এই মানুষগুলো দুর্যোগের সাথে যুদ্ধ করতে করতে প্রকৃতিকে ভালো বোঝেন বলে জানালেন তিনি। তবে এও বললেন,প্রকৃতির মতি-গতি বোঝাও দায়। কখন কোনদিকে গতি মোড় নেয় তা বলা যায়না। এজন্য তারা সরকারি সর্তক বার্তা মেনে চলার চেষ্টা করেন। তার দোকানের পাশেই আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে,তাই তিনি অনেক রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখবেন জানালেন।বিপদ দেখলে আশ্রয় কেন্দ্রে হলে যাবেন বলেন তিনি।

পায়রা বন্দরে সাত সম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে।পায়রা বন্দর থেকে বুরবুলের দূরত্ব ৩৯৫ কিলোমিটার। লোকজনকে দুপুর ১২টার মধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। কলাপাড়া নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মুনিবুর রহমান বরিশাল নিউজকে বলেন,গতকাল থেকে তারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে আসার জন্য মাইকিং করে যাচ্ছেন। এছাড়া রাতে প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় লোকজন আসতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, সকাল আটটা পর্যন্ত দেখবেন তারা এলো কীনা। এরপরই জোর করে তাদের সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা হবে ।
কলাপাড়ার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে পায়রা-রামনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন লালুয়া,চম্পাপুর,ধানখালী এবং কুয়াকাটা সংলগ্ন ধুলাসার,মহিপুর ও লতাচাপলি ইউনিয়ন ঘুর্ণিঝড়ের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।
লালুয়া সিপিপি টিম লিডার ফোরকান জানান,এসব এলাকায় বেরিবাধের বাইরে প্রায় ৫০ হাজার লোক বসবাস করেন। তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবকরা বেশী গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বরিশাল নিউজ/স্টাফ রিপোর্টার