আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নের অবৈধভাবে বাঁধ কাটছেন গ্রামবাসী-বরিশাল নিউজ

বরিশাল নিউজ।। আগৈলঝাড়ায় ওয়াপদা খালে অবৈধভাবে ২০ বছর ধরে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করা অবৈধ বাঁধ কেটে দিয়েছে পানি বন্দি ভুক্তভোগীরা।
তাদের অভিযোগ, গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড় থেকে ঘোড়ারপাড় পর্যন্ত এবং তালতা খালে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিল স্থানীয় শামীম খান, সরোয়ার বিশ্বাস, এনায়েত খান গংরা।
তাদের দেয়া ওই অবৈধ বাঁধের কারণে গৈলা ও রত্নপুর ইউনিনিয়নের কালুরপাড়, রামের বাজার, বরিয়ালী, চাপচুপা, ঘোড়ারপাড়সহ ছয়গ্রামের কমপক্ষে ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়েছিল।
খালে বাঁধ দেয়ার কারনে পানি চলাচল বন্ধ থাকায় ওই এলাকার পানি পচে দুষিত হয়ে মশা-মাছি ও বিভিন্ন প্রকার পোকা মাকড় জন্মে অসুখ বিসুখে ভুগছিলেন স্থানীয়রা।
প্রশাসনের কাছে বার বার ধর্ণা দিয়েও কোন সাড়া না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী জনগন একত্রিত হয়ে রামেরবাজার ও কালুরপাড়ের অবৈধ বাঁধ দুইটি কেটে দিয়েছে।
রামের বাজারের ইয়াছিন সরদার বলেন, খালে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা প্রায় ২০ বছর যাবত পানি বন্দী করে রেখেছিল। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বাঁধ কেটে দেয়ার কথা জানান তিনি।
গৈলা ইউপি সদস্য মো. মশিউর রহমান সরদার বলেন, ভুক্তভোগী জনগন গৈলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটুর কাছে পানি বন্দির কথা জানিয়ে আবেদন করেছিলেন। এখন বাঁধ দুটি কেটে দেয়ায় কয়েক হাজার লোক পানি বন্দি থেকে মুক্ত হয়েছে।
জনগনের বাঁধ কাটার সত্যতা স্বীকার করে গৈলা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটু বলেন, ওই এলাকার ভুক্তভোগী প্রভাবশালী দখলদারদের কারণে শত দুঃখ কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করলেও তারা মুখ খুলতে সাহস পায়নি।
বরিশাল নিউজ/শামীম