বরিশাল নিউজ ডেস্প্রক।। ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারন মানুসের সেবা নিশ্চিত করাসহ জেলা প্রশাসকদের ৩১ নির্দেশনা দিযেছেন। উল্লেখযোগ্য নির্দেশনার মধ্যে রযেছে,
(১) ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী কেন্দ্রীয়
পর্যায় হতে তৃণমূল পর্যন্ত উদ্যাপনের লক্ষ্যে আপনাদের প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ
(২) ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্নের সােনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ।
(৩) সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনভাবেই হয়রানী বা বঞ্চনার শিকার না
হন, সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য ।
(৪) জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতা দূর করে সর্বক্ষেত্রে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা
বজায় রাখার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন।
(৫) যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক বিরােধী অভিযান অব্যাহতপদক্ষেপ গ্রহণ ।
(৬) গ্রামীণ অবকাঠামাে উন্নয়ন, সম্ভাবনাময় স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমােচনে ব্রতী হওয়া।
(৭) তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দান এবং দৈনন্দিন প্রয়ােজনে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে জেলার সাধারণ জনগণকে
উদ্বুদ্ধ করণ।
(৮) তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করা।
(৯) শিক্ষার সকল স্তরে নারীশিক্ষার হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ত্যাগের হার হ্রাস
এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ গ্রহন।
(১০) ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ভূমি রক্ষায় সজাগ দৃষ্টি রাখা।
(১১) কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ইত্যাদির সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার
লক্ষ্যে প্রয়ােজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহন।
১২) ভেজাল খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ প্রতিরােধে ব্যাপক
গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন ।
(১৩) দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগােষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও জোরদার করা।
(১৪) পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই সংক্রান্ত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রয়ােগ নিশ্চিত করণ।
(১৫) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশমনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২’ এবং এ
সংক্রান্ত স্থায়ী নির্দেশনাবলি অনুসারে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
(১৬) সাধারণ মানুষকে সহজে সুবিচার প্রদান ও আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম
আদালতগুলিকে কার্যকর করা।
(১৭) জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কমিটিকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করা।
(১৮) দপ্তরসমূহের বিদ্যমান সেবাসমূহ তৃণমূলে পৌঁছানাের লক্ষ্যে তথ্য মেলা, সেবা সপ্তাহ
পালনসহ ইত্যাদি কার্যক্রম জোরদার করা।
(১৯) শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষা, পণ্য-পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘ্ন করা এবং চাঁদাবাজি,
টেন্ডারবাজি, পেশিশক্তি ও সন্ত্রাস নির্মূল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
(২০) বাজার-ব্যবস্থার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের প্রতি গুরুত্বারােপ । ভােক্তা-অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির যে কোনাে
অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন।
(২১ নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পাচার, যৌতুক, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহের মত
সামাজিক ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য দায়িত্ব নিয়ে কাজ করা।
(২২) নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা
গ্রহণ নিশ্চিত করা।
(২৩) শিশু-কিশােরদের পুষ্টিচাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের
লক্ষ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনােদন ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযােগ নিশ্চিত করা। শিশু-কিশােরদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংস্কৃতিবােধ ও বিজ্ঞানমনস্কতা জাগিয়ে তোলা।
(২৪) প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগােষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন।