প্রতীকী ছবি-বরিশাল নিউজ

বরিশাল নিউজ।। হিজলা উপজেলার পত্তনীভাঙা গ্রামের জোড়াখাল থেকে নিখোঁজের আটদিন পর কাইউম খানের (৩৮) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কাইউম খান মুলাদী উপজেলার তেরচর গ্রামের মৃত জলিল খানের পুত্র।
হিজলা থানার ওসি মোঃ মাকসুদুর রহমান জানান, কাইউম খানের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, মাদক ও স্ত্রীকে মারধরসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। একাধিক মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাও রয়েছেন। নিহতের বড় ভাই বিষাই খান জানান, গত ১৬ মার্চ সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে মুলাদী বাজারে যাওয়া কথা বলে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলোনা। শনিবার বিকালে হিজলা থানা পুলিশের লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি থানায় পৌঁছে লাশ সনাক্ত করেন। বিষাই খান আরও জানান, তার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যুবকের লাশ উদ্ধার
এদিকে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতাল থেকে বিপ্লব বাড়ৈ (২৩) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলা হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিপ্লব রাড়ৈ রামশীল গ্রামের বিমল বাড়ৈর পুত্র ও ঢাকার একটি কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। স্বজনদের বরাত দিয়ে আগৈলঝাড়া থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, বিপ্লব আগৈলঝাড়ার শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছে। ঢাকা থেকে গত শুক্রবার সে বাড়িতে আসে। শনিবার সন্ধ্যায় সে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্ঠা চালায়। স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিপ্লবকে মৃত বলে ঘোষণা করার পর স্বজনরা পুলিশকে না জানিয়ে তরিঘড়ি করে লাশ নিয়ে বের হওয়ার চেষ্ঠা করে। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়ার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছেন।