বরিশাল নিউজ।। নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট । তবে সিন্ডিকেটের এই সিদ্ধান্ত উচ্চাদালতে স্থগিত হওয়ায় ২৩ জানুয়ারি কাজে যোগ দিতে এসে বিক্ষোভের মুখে পরেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, শিক্ষক সমিতির সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্তে দোষী হওয়ায় সিন্ডিকেট কমিটি রেজিস্ট্রারকে বিদায় হতে বলেছেন। কিন্তু রেজিস্ট্রার সিন্ডিকেটের আদেশ মানতে চাচ্ছেন না।

এদিকে অভিযুক্ত রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, তার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তাই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। উচ্চাদালতের আদেশ অনুযায়ী তিনি কাজে যোগদান করতে চান।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী প্রত্যাশী এক তরুনীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ ওঠে রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ বরিশালে ভাইরাল হয়।

ওই ভিডিও প্রমান সহ রেজিস্ট্রার মনিরুলের বিচারের দাবিতে ভিসির কাছে লিখত আবেদন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিসি সিন্ডিকেটের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
গত ১৬ জানুয়ারী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. হাসিনুর রহমান সাক্ষরিত একটি চিঠি দেওয়া হয় অভিযুক্ত রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলামকে। সেখানে নৈতিক স্খলনের দায়ে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তা না হলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চাদালতে যান রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম। গতকাল ২২ জানুয়ারী বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক-আল জলিলের দ্বৈত বেঞ্চ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট কমিটির আদেশ স্থগিতের নির্দেশ দেন। উচ্চাদালতের এই আদেশ নিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় ভিসির কার্যালয়ে যান রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম।

বরিশাল নিউজ/রাহাত