তাল গাছটি আমার !

বরিশাল ও ঝালকাঠী বাস মালিক সমিতি এবং ইউনিয়নের অনড় অবস্থানের কারণে ১০ রুটের বাসযাত্রীরা জিম্মি হয়ে আছেন। এই অচলাবস্থা চলছে ১৯ দিন ধরে । বার বার সভা করেও সুরাহা হচ্ছেনা দাবি-দাওয়ার।
প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে ১৯ দিন পর সোমবার বরিশাল হইতে পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছিল।কিন্তু পাঁচ ঘন্টা চলাচলের পর সকাল ১০ টা থেকে আবার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ভোলায় রাষ্ট্রপতি এবং বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাস মালিক সমিতিকে অবরোধ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায়।
এ অবস্থায় রবিবার রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠকের মাধ্যমে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির বাস চলাচলের বিষয় নিয়ে পুনরায় ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার ভোর ৫ টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু পাঁচ ঘন্টা বাস চলাচলের পর সকাল ১০ টায় ফের ঝালকাঠী বাস মালিক ও শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।
বরিশাল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুলতান মাহমুদ জানান, রবিবার রাতের ওই বৈঠকে সৃষ্ট সমস্যা নিরশনে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে সদস্য সচিব করে, ৪ জেলার ডিসি, এসপি এবং বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের সমন্বয় গঠিত ২১ সদস্যের কমিটি আগামী ১০ ফেব্র্বয়ারী বৈঠক করে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে।
তিনি আরো বলেন, ওই বৈঠকে সিন্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার ভোর থেকেই পূর্বের নিয়মেই বাস চলাচল শুরু করে। কিন্তু সকাল
১০ টার পর থেকেই আমাদের সমিতির বাস ওই রুট গুলোতে প্রবেশ করা মাত্রই চলাচলে বাধা, ভাংচুর আর শ্রমিকদের মারধর করে ঝালকাঠীর শ্রমিকরা।
এ ব্যপারে ঝালকাঠী বাস মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন,’ প্রশাসনের অনুরোধ কিংবা নির্দেশে আমরা ধর্মঘট প্রত্যহার করে নিয়েছি ঠিক। কিন্তু ওই বৈঠকে আমাদের দাবি ছিলো ঝালকাঠী রুটের বাস কুয়াকাটা রুটে চলতে দিতে হবে। প্রশাসন তা মেনে নিয়েছে, তবে বরিশাল বাস মালিক ওই রুটে বাস প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। এ কারনে আমরা আবারও বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি। ‘

Comments

comments

২০১৮-০১-২২T২৩:৫৮:১৪+০০:০০সোমবার, জানুয়ারি ২২, ২০১৮ ১১:৫৮ অপরাহ্ণ|